বাংলা ভাষার পদ কত প্রকার?
-
ক
দুই প্রকার
-
খ
তিন প্রকার
-
গ
চার প্রকার
-
ঘ
পাঁচ প্রকার
ব্যাকরণ শাস্ত্র, পদ হচ্ছে একটি ভাষার রূপতত্ত্বগত শ্রেণিবিভাগ, যা সেই ভাষার বাক্যের নির্মাণ পদ্ধতি ও শব্দের সনাক্তকরণ, বিশ্লেষণ এবং অন্যান্য ভাষাগত গঠনের বর্ণনা করে। শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে পদ বলে।
প্রকারভেদ
বাংলা ব্যাকরণে পদ মূলত ২ প্রকার হলেও সাধারণ ভাবে পদ ৫ প্রকার। কিন্তু আধুনিক প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে পদ ৮ প্রকার।
পদ মুলত ২ প্রকার:
- সব্যয় পদ
- অব্যয় পদ
সব্যয় পদ চার প্রকার:
- বিশেষ্য
- বিশেষণ
- সর্বনাম
- ক্রিয়াপদ
সম্মিলিত শ্রেণিবিভাগ
উভয় মূল মিলিয়ে পদ মুলত ৫ প্রকার। যথা:
- বিশেষ্য
- বিশেষণ
- সর্বনাম
- ক্রিয়াপদ
- অব্যয়
কিন্তু সাধারণ ব্যাকরণিক শ্রেণিবিভাগ অনুযায়ী অব্যয় পদটি একাধিক ভুমিকা পালন করে।
আধুনিক শ্রেণিবিভাগ
পদান্বয়ী অব্যয় অনুসর্গ রুপে কাজ করে, সমচ্চয়ী অব্যয় পদটি সংযোজক হিসেবে কাজ করে এবং অনন্বয়ী অব্যয় পদটি আবেগবাচক শব্দের ভুমিকা পালন করে। আবার ক্রিয়াবিশেষণকে বিশেষণের একটি অংশ মনে করা হয়। কিন্তু সেটা সম্পূর্ণ আলাদা শব্দ হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার যোগ্যতা রাখে। তাই, প্রমিত বাংলা ব্যাকরণ অনুসারে শব্দ আট প্রকার। যথা:
- বিশেষ্য
- বিশেষণ
- সর্বনাম
- ক্রিয়াপদ
- ক্রিয়াবিশেষণ
- আবেগসূচক পদ
- সংযোজক পদ
- অনুসর্গ
পদ প্রধানত দুই প্রকার – নামপদ ও ক্রিয়াপদ।
নামপদ আবার চার প্রকার । যেমন – বিশেষ্য, বিশেষণ, সর্বনাম ও অব্যয়। তাহলে পদ হল মোট পাঁচ প্রকার।
Related Question
View Allশব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে কী বলে?
-
ক
প্রত্যয়
-
খ
পদ
-
গ
বিভক্তি
-
ঘ
শব্দ
শব্দ যখন বাক্যে ব্যবহৃত হয় তখন তাকে কি বলে?
-
ক
প্রত্যয়
-
খ
পদ
-
গ
বিভক্তি
-
ঘ
শব্দ
'কাজ' শব্দটি কোন পদ?
-
ক
ক্রিয়া
-
খ
বিশেষ্য
-
গ
সর্বনাম
-
ঘ
বিশেষণ
শব্দ যখন বাক্যে স্থান পায় তখন তার নাম কী হয়?
-
ক
পদ
-
খ
শব্দমূল
-
গ
বিভক্তি
-
ঘ
নির্দেশক
নিচের কোন বিশেষ-বিশেষণ জোড় শুদ্ধ নয়?
-
ক
জরা-জীর্ণ
-
খ
চুরি-চোরাই
-
গ
জগৎ-জাগতিক
-
ঘ
ঢল-ঢিলে
বাক্যের অন্তর্গত প্রত্যেকটি শব্দকে বলা হয়-
-
ক
কারক
-
খ
ধ্বনি
-
গ
পদ
-
ঘ
বর্ণ
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন